কলেজ পরিচিতি

কলেজ লাইব্রেরি :

প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলায় বর্তমানে একটি বৃহৎ লাইব্রেরি রয়েছে। শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি কার্ডের মাধ্যমে এ লাইব্রেরিতে নিয়মিত বই পড়ার সুযোগ পায়। এছাড়াও ছাত্রীরা ক্লাশের অবসরে লাইব্রেরির পাঠকক্ষে পড়াশুনা করতে পারে। কলেজ লাইব্রেরিতে ত্রিশ সহস্রাধিক বই রয়েছে এবং রয়েছে একটি সুন্দর মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার। কলেজ লাইব্রেরি ছাড়াও যে সকল বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্স চালু রয়েছে সে সকল বিভাগের সেমিনারে পর্যাপ্ত সহায়ক পুস্তক রয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের কমনরুম :

কলেজে ছাত্রীদের জন্য একটি কমনরুম রয়েছে। ছাত্রীরা ক্লাশ বিরতির সময় এখানে উপস্থিত হয়ে অবসর বিনোদন, দৈনিক পত্রিকা পাঠ এবং বিভিন্ন অন্তঃকক্ষ ক্রীড়ায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে পারে। এখানে ছাত্রীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ শিক্ষার পরিবেশকে আরও আনন্দমুখর ও সজীব রাখে।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) 

কুমুদিনী সরকারি কলেজে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের একটি প্লাটুন রয়েছে। সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা ছাড়াও এ কোরের সদস্যরা সমাজ ও দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করে থাকে।

 

গার্লস-ইন-রোভার :

২০০১-২০০২ শিক্ষাবর্ষ থেকে কুমুদিনী সরকারি কলেজে ‘গালর্স-ইন-রোভার’ ইউনিটের কার্যক্রম চালু হয়। সেবার ব্রত নিয়ে এরা এদেশের সেবায় নিয়োজিত।

 

ক্রীড়া :

ক্রীড়া ক্ষেত্রে কুমুদিনী সরকারি কলেজের ছাত্রীদের ভূমিকা উজ্জ্বল। স্থানীয় পর্যায়, জেলা পর্যায় এমনকি বিভাগীয় পর্যায়েও এ কলেজের ছাত্রীদের রয়েছে সদর্প পদচারণা ও একরাশ সাফল্য। ২০০৩-০৪ সালে টাঙ্গাইল জেলা আন্তঃকলেজ (উ.মা) ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কলেজটি দলগত চ্যাম্পিয়ন হয়। গত ২০১০-১১ সালে কলেজটি ভলিবলে আন্তঃজেলা, জোনাল ও ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে দলগত চ্যাম্পিয়ন (মহিলা) হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং ২০১১-১২ সালে ব্যাডমিন্টন, ভলিবল ও হ্যান্ডবলে জেলা চ্যাম্পিয়ন হয় কলেজটি। সর্বশেষ ২০১২-১৩ সালে ভলিবল প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে দলগত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ২০১৫-১৬ সালে ঢাকা বোর্ড বিভাগীয় পর্যায়ে ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন।২০১৫-১৬ সালে জেলা জোনাল পর্যায়ে ভলিবল টিম গঠন করে। ঢাকা বোর্ড আন্ত কলেজ (উচ্চ মাধ্যমিক) খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিয়োগিতায় ২০১৬-১৭ মহিলা জোন চ্যাম্পিয়ন (জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল)। ডিজিটাল মেলা ২০১৮ এটুআই এ ৩য় স্থান অর্জন। মেধাই সম্পদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ ৩৯তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা ২০১৮ সিনিয়র গ্রুপ এ ৩য় স্থান টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল। ৬ষ্ঠ জাতীয় কমডেকা-২০১৮ হাইমচর, চাঁদপুর, টেকসই সমাজ বিনির্মানে স্কাউটিং, সাফল্যের সাথে অংশগ্রহণের স্বীকৃতি স্বরুপ। ২০১৭ সালে ঢাকা বোর্ড আন্ত:কলেজ (উচ্চ মাধ্যমিক) খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিয়োগীতায় টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিকেট মহিলা চ্যাম্পিয়ন। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭ শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কলেজ টাঙ্গাইল সদর। বিশ্ব রেড ক্রোস/রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০১৮ এ শ্রেষ্ঠ কলেজ ইউনিট। এছাড়া অন্যান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিশেষ করে ক্রিকেটে কুমুদিনী সরকারি কলেজের গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য রয়েছে।

 

সাহিত্য ও সংস্কৃতি :

প্রতি বছরই কুমুদিনী সরকারি কলেজ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। কলেজের ছাত্রীরা স্থানীয় পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ে, বিভাগীয় পর্যায়ে এবং জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়ে থাকে। ২০০৭ সালে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এটিএন বাংলা’ আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ‘যুক্তি কথন’ এ অংশ নিয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ রাইফেলস পাবলিক কলেজ, ঢাকা কে পরাজিত করে। ২০১৬ সালে নবম জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে ও বিভিন্ন জেলায় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে গৌরব অর্জন করে। এছাড়াও ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’ আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়।

 

বিভিন্ন জাতীয় দিবস :

কুমুদিনী সরকারি কলেজে বিভিন্ন জাতীয় দিবস যেমনÑ বিজয় দিবস, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বর্ষবরণ, বর্ষাবরণ এবং বসন্তবরণ যথাযোগ্য মর্যাদায় ও আনন্দঘন পরিবেশে নিয়মিতভাবে উদযাপিত হয়।

কলেজ ইউনিফর্ম :

কুমুদিনী সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত প্রত্যেক ছাত্রীকে বাধ্যতামূলকভাবে কলেজ পোশাক (সাদা ওড়নাসহ সাদা সালোয়ার ও কামিজ)/সাদা বোরকা পরিধান করতে হয়। এটি কলেজ শৃঙ্খলার অন্তর্ভুক্ত। কলেজ ইউনিফর্ম পরিধান করে কলেজের ভেতরে বা বাইরে কোন প্রকার অশোভন বা শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করা যাবে না। যে কোন ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কলেজ হতে বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।

ছাত্রীনিবাস :

ছয়শ’ আসন বিশিষ্ট কুমুদিনী সরকারি কলেজের সুদৃশ্য তিনটি পৃথক ছাত্রীনিবাস রয়েছে। আবাসিক ছাত্রীদের সুচিকিৎসার জন্য একজন অভিজ্ঞ মহিলা এমবিবিএস ডাক্তার নিয়োজিত আছেন। কলেজ ছুটিকালীন সময়ে আবাসিক ছাত্রীদের বাড়ি যাবার সুযোগ রয়েছে। 

 

কলেজ প্রতিষ্ঠাতা: রণদাপ্রসাদ সাহা

রণদাপ্রসাদ সাহা (১৫ নভেম্বর ১৮৯৬ – ৭ মে ১৯৭১)[১] বাংলাদেশের বিখ্যাত সমাজসেবক এবং দানবীর ব্যক্তিত্ব ছিলেন। আর. পি. সাহা নামেই তিনি সমধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশে হাসপাতাল, একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গরীবদের কল্যাণার্থে ট্রাস্ট গঠন করেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক অপহৃত হন। পরবর্তীতে তাঁর আর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি।[২]

শৈশবকাল

রণদাপ্রসাদ সাহা ১৮৯৬ সালের ১৫ নভেম্বর ঢাকা জেলার উপকন্ঠ সাভারের কাছুর গ্রামে মাতুলালয়ে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ সাহা পোদ্দার এবং মাতার নাম কুমুদিনী দেবী। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল টাঙ্গাইল জেলার মীর্জাপুরে।[২] চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত তিনি মীর্জাপুর বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। তার পিতা অত্যন্ত দরিদ্র ছিলেন। তার বয়স যখন সাত বছর, তখন তার মাতা সন্তান প্রসবকালে ধনুষ্টংকারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তার পিতা দ্বিতীয় বিবাহকরেন। বিমাতার আশ্রয়ে বহু দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে ও অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে রণদা’র শৈশবকাল অতিবাহিত হয়।

জীবন ও জীবিকা

চৌদ্দ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে কলকাতা চলে যান রণদা। সেখানে গিয়ে জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে মুটের কাজসহ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত হন। এরই মধ্যে স্বদেশী আন্দোলনে যোগদান করে কয়েকবার কারাবরণ করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের(১৯১৪১৯১৮) সময় বেঙ্গল অ্যাম্বুলেন্স কোরে যোগ দিয়ে মেসোপটমিয়ায় (বর্তমান ইরাক) যান। সেখানে তিনি হাসপাতালে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রোগীদের জীবন বাঁচালে তাকে নবপ্রতিষ্ঠিত (১৯১৬বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন প্রদান করা হয়। যুদ্ধ শেষ হলে ১৯১৯ সালে পঞ্চম জর্জের সাথে সাক্ষাতের আমন্ত্রণে ইংল্যান্ড সফর করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে সেনাবাহিনী ত্যাগ করে রেলওয়ে বিভাগে টিকেট কালেক্টরের চাকরি নেন।[২] পরবর্তীতে ১৯৩২ সালে চাকরিতে ইস্তফা দেন তিনি। উপার্জিত ও সঞ্চিত অর্থ দিয়ে কয়লার ব্যবসা শুরু করেন। চার বছরে ব্যবসায়িক সাফল্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এ সময়ে দ্য বেঙ্গল রিভার সার্ভিস কোম্পানি নামে নৌ-পরিবহন সংস্থা এবং নৌ-পরিবহন বীমা কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪২ – ১৯৪৩ সালে সরকারের খাদ্য-শস্য ক্রয়ের প্রতিনিধি নিযুক্ত হন তিনি। ১৯৪৪ সালে নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসায় নামেন এবং জর্জ এন্ডারসনের কাছ থেকে ‘জুট প্রেসিং বিজনেস’ এবং ‘গোডাউন ফর জুট স্টোরিং’ ক্রয় করে নেন। এরপরে নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লায় ইংরেজদের মালিকানাধীন তিনটি পাওয়ার হাউস ক্রয় করেন। চামড়ার ব্যবসাও শুরু করেন এই সময়।[৩]

অবদান

কয়লাচামড়া, পাটের ব্যবসায় নিজ মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ধনকুবেরে পরিণত হন রণদা। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও মানবতার কল্যাণে প্রচুর অর্থ দান করতে থাকেন তিনি। রণদাপ্রসাদ সাহা ১৯৩৮ সালে মির্জাপুরে ২০ শয্যাবিশিষ্ট ‘কুমুদিনী ডিস্পেনসারি’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৪ সালে সেটিই কুমুদিনী হাসপাতাল নামে পূর্ণতা লাভ করে। ১৯৪২ সালে তাঁর প্রপিতামহী ভারতেশ্বরী দেবীর নামে ‘ভারতেশ্বরী বিদ্যাপীঠ’ স্থাপন করে ঐ অঞ্চলে নারীশিক্ষার সুযোগ করে দেন যা পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালে ভারতেশ্বরী হোমস-এ রূপলাভ করে। ১৯৪৩ সালে টাঙ্গাইলে কুমুদিনী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। পিতার নামে মানিকগঞ্জে দেবেন্দ্র কলেজ স্থাপন করেন। ১৯৪৭ সালে রণদাপ্রসাদ তার সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ গরীবদের উদ্দেশ্যে ব্যয় করার জন্য কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল নামে অলাভজনক প্রাইভেট কোম্পানী রেজিস্টার্ড করেন। মীর্জাপুরে ডিগ্রী মহিলা কলেজ কুমুদিনী মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৩-৪৪ সালে সংঘটিত পঞ্চাশের মন্বন্তরের সময় রেডক্রস সোসাইটিকে এককালীন তিন লক্ষ টাকা দান করেন[১] এবং ক্ষুধার্তদের জন্য চার মাসব্যাপী সারাদেশে দুইশত পঞ্চাশটি লঙ্গরখানা খোলা রাখেন। এছাড়াও তিনি টাঙ্গাইলে এস. কে. হাইস্কুল ভবন নির্মাণ এবং ঢাকার কম্বাইন্ড মিলিটারি হসপিটাল (সিএমএইচ)-এর প্রসূতি বিভাগ প্রতিষ্ঠায় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা

মানবতাধর্মী কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তৎকালীন বৃটিশ সরকার রণদাপ্রসাদ সাহাকে রায় বাহাদুর খেতাব প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকার মানবসেবায় অসামান্য অবদান রাখায় ও তাঁর কাজের যথাযথ স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) প্রদান করেন।[৪]

স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মৃত্যু

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের সাথে রণদাপ্রসাদের ভাল সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে পাকহানাদার বাহিনী রণদা ও তার ২৬ বছর বয়সী সন্তান ভবানীপ্রসাদ সাহা (রবি)-কে তুলে নিয়ে যায়। এক সপ্তাহ পর তাঁরা বাড়ী ফিরে আসলেও পুণরায় ৭ মে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাঁদের আর কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। ঐ সময় তিনি পুত্রবধূ স্মৃতি সাহা (২০০৫ সালে রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত) ও পৌত্র রাজীবকে রেখে যা

Kumudini Govt. College, Tangail
Number of Students 2018

Sl. No

Subjects

Annual intake capacity

2018-19

2017-18

1.       

Humanities

750

750

710

2.       

Business Studies

300

265

286

3.       

Science

600

542

543

Total

1650

1557

1539

Sl. No.

     Subjects

Annual intake capacity

No. of Student Enrollment (year-wise)

1st

2nd

3rd

4th

Total

Total Female

1.       

Bangla

100

97

78

88

55

318

318

2.       

Botany

95

94

92

92

64

342

342

3.       

Chemistry

50

49

49

49

4.       

Economics

120

119

101

71

57

348

348

5.       

English

120

117

106

98

61

382

382

6.       

Geography

80

73

72

55

53

255

255

7.       

History

100

88

88

53

54

283

283

8.       

Home Economics

100

86

57

26

26

189

189

9.       

Islamic History

100

94

65

40

25

224

224

10.   

Mathematic

115

113

80

80

60

240

240

11.   

Philosophy

120

98

36

70

30

234

234

12.   

Physics

115

109

75

65

55

306

306

13.   

Political Science

120

120

120

95

96

431

431

14.   

Social Work

150

148

120

108

107

484

484

15.   

Sociology

120

119

107

97

57

380

380

16.   

Zoology

50

50

39

89

89

Total

1655

1574

1236

1038

800

3512

3512

Sl. No.

Subjects

Annual Intake Capacity

No. of Student Enrollment

No. of Female Student

1.       

Bangla

50

12

12

2.       

Economics

50

27

27

3.       

English

50

0

0

4.       

Geography

50

14

14

5.       

Islamic History

50

20

20

6.       

Political Science

100

48

48

7.       

Social Work

150

71

71

8.       

Sociology

50

36

36

Total

550

228

228

Sl. No

Subjects

Annual intake capacity

2018-19

1.       

BA

300

 

2.       

BSS

300

 

3.       

BSc

300

 

Total

900

 

Close Menu